“𝗘𝗻𝗴𝗶𝗻𝗲𝗲𝗿/𝘀𝗽𝗲𝗰𝗶𝗮𝗹𝗶𝘀𝘁 𝗶𝗻 𝗵𝘂𝗺𝗮𝗻𝗶𝘁𝗶𝗲𝘀/𝗶𝗻𝘁𝗲𝗿𝗻𝗮𝘁𝗶𝗼𝗻𝗮𝗹 𝘀𝗲𝗿𝘃𝗶𝗰𝗲𝘀”
জব ভিসায় আবেদন করার আগে অবশ্যই কিছু তথ্য জেনে নেইঃ
বাংলাদেশ থেকে আলিম/এইচ.এস.সি/ ডিপ্লোমা পাশের পর ৩ বছর বা ৪ বছর মেয়াদী যেকোনো বিষয়ে ডিগ্রি/ব্যাচেলর, যেকোনো বিষয়ে গ্র্যাজুয়েট ইঞ্জিনিয়ার/ ফাযিল পাশ করলেই আবেদন করা যায়। নিম্নে ৩ ভাগে এই ক্যাটাগরিকে সাজানো হয়েছে।
১. Engineer জাপানিজ ভাষায় বলা হয় “গিজুৎসু” 技術【ぎじゅつ】
(আই টি ইঞ্জিনিয়ার, রোবটিক ইঞ্জিনিয়ার, ইলেকট্রিক্যাল, মেক্যানিকাল, সিভিল ও অন্যান্য ব্যাচেলর ইঞ্জিনিয়ার আওতাভুক্ত)।
২. Specialist in humanities জাপানিজ ভাষায় বলা হয় “জিনবুন চিশিকি” 人文【じんぶん】知識【ちしき】
(মার্কেটিং, হিউম্যান রিসোর্স- এইচ আর, ৩ বছর মেয়াদী ডিগ্রি বি এ. এবং বিবিএস পাশ কৃতগণও আবেদন করতে পারবেন)
এমনকি কনসালটেন্সি সম্পর্কিত জব গুলো এই ক্যাটেগরির আওতাভুক্ত।
৩. International services জাপানিজ ভাষায় বলা হয় “ককুসাই গিয়ো মু” 国際【こくさい】 業務【ぎょうむ】
(ইন্টারন্যাশনাল বিজনেজ, বিবিএ, এক্যাউন্টিং, ম্যানেজমেন্টে ডিগ্রি ধারী গন আবেদন করতে পারবেন।)
এমনকি নিজ দেশের দোভাষী হিসাবেও কাজ করতে পারা যায়।
বাংলাদেশ থেকে যে যে বিষয়েই পড়ালেখা করেন না কেন উপরোক্ত তিনটির যেকোনো একটির আওয়ায় আপনি পরে যান বিধায় একত্রে এই ক্যাটেগরি পেয়ে যান- 𝗘𝗻𝗴𝗶𝗻𝗲𝗲𝗿/𝘀𝗽𝗲𝗰𝗶𝗮𝗹𝗶𝘀𝘁 𝗶𝗻 𝗵𝘂𝗺𝗮𝗻𝗶𝘁𝗶𝗲𝘀/𝗶𝗻𝘁𝗲𝗿𝗻𝗮𝘁𝗶𝗼𝗻𝗮𝗹 services
অনেকেই একটা কমন প্রশ্ন করে থাকেন আমিতো ইঞ্জিনিয়ারিং কোনো সাবজেক্টে ব্যাচেলর পাশ করি নাই তাহলে ইঞ্জিনিয়ারিং ভিসায় কিভাবে যাবো আমার কি ভিসা হবে?
উত্তরঃ জি হ্যাঁ, আপনি যেতে পারবেন। আপনি যে বিষয়েই ডিগ্রি অর্জন করেন না কেন কোম্পানি সিলেকশন হওয়ার পর একজন ইমিগ্রেশন ল’ইয়ার কোম্পানির কাজের বিষয়বস্তু ও আপনার পড়ালেখা ও পূর্বে কাজের অভিজ্ঞতার বিষয়বস্তু নিয়ে বিশদ পর্যালোচনা করে ইমিগ্রেশনে আবেদন করে থাকেন। ইমিগ্রেশন ল’ইয়ার রা ভীষণ দক্ষ হওয়ায় তারা যেকোনো ব্যাকগ্রাউন্ডের ব্যক্তির জন্য যেকোনো কোম্পানির জন্য ইলিজিবিলির আবেদন করতে পারেন। আর প্রায়শই ইলিজিবিলিটি/প্রি ভিসা ইস্যু/রেসিডেন্ট ওয়ার্ক পারমিট হয়ে থাকে।
আরও বিস্তারিত জানতে ফর্মটি পূরণ করতে পারেন এই লিঙ্কেঃ https://forms.gle/heoAgWgocYH8AMY36
জাপানে এই জব ভিসা ক্যাটেগরিতে যাওয়ার জন্য আবেদন প্রক্রিয়াঃ
- (২) মাস মেয়াদী জাপানিজ ভাষা কোর্সে ভতি হবে। শুধু ব্যসিক ভাষা শিখলেই হবে কোন পরীক্ষা দিয়ে সার্টিফিকেট অর্জন করতে হবেনা। ইন্টারভিউয়ের জন্য স্প্লিকিং লেভেল অবশ্যই ভালো হতে হবে।
- ভাষা শিখার পাশাপাশি ভিসা প্রসেসিং চালানো যেতে পারে। জাপানিজ কোম্পানিগুলো স্ক্যাইপি বা সরাসরি ইন্টার্ভিউয়ে উত্তীর্ণ হতে হবে।
- ভাইভাতে পাশ করলে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কোম্পানিতে পাঠাতে হবে। কোম্পানির ল’ইয়ার বা এইচ আর ডকুমেন্ট যাচাই বাচাই করে ইমিগ্রেশন ল’ইয়ারের নিকট দাখিল করবেন।
- ইমিগ্রেশন থেকে আনুমানিক ৩-৫ মাসের মধ্যে প্রি-ভিসা/ রেসিডেন্ট পারমিট ইস্যু করবে। অনেক সময় ১ মাসের মধ্যেও প্রি-ভিসা ইস্যু হয়ে থাকে, বিষয়টি সম্পূর্ণ ইমিগ্রেশনের উপর নির্ভর করে।
- প্রি-ভিসা ও কোম্পানির অন্যান্য কাগজপত্র হাতে পেলে গুলশান-২ VFS থেকে আপয়নমেন্ট নিয়ে ডকুমেন্ট জমা দিয়ে আসতে হবে।
- জাপান দুতাবাসের নিয়ম অনুসারে ভিসা হাতে পেলে নির্ধারিত তারিখে বিমানের টিকেট ক্রয় করে জাপানের উদ্দেশ্যে গমন নিশ্চিত করতে হবে।
জাপানে কোন কোন সেক্টরের কাজে যেতে পারবেন?
আমরা জাপানের ১৪ ক্যাটাগরির যেকোনো কোম্পানিতে কর্মী প্রেরণ করে থাকি। সেক্টরগুলো হলোঃ
১. পরিচর্যা কর্মী ২. বিল্ডিং পরিচ্ছন্নতার ব্যবস্থাপনা ৩. মেশিন যন্ত্রাংশ এবং টুলিং শিল্প ৪. শিল্প যন্ত্রপাতি শিল্প ৫. বৈদ্যুতিক, ইলেকট্রনিক, এবং তথ্য শিল্প ৬. নির্মাণ শিল্প ৭. জাহাজ নির্মাণ এবং জাহাজ যন্ত্রপাতি শিল্প ৮. অটোমোবাইল মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ ৯. এভিয়েশন শিল্প ১০. আবাসন শিল্প ১১. কৃষি ১২. মৎস্য ও জলজ পালন ১৩. খাদ্য এবং পানীয় উৎপাদন ১৪. খাদ্য পরিষেবা শিল্প। আমরা প্রায় ১০০০ এর অধিক কোম্পানিতে উপরোক্ত সেক্টরে কর্মী প্রেরণ করে থাকি।
জাপানে যাওয়ার পরবর্তী ধাপসমূহঃ
- জাপানের এয়ারপোর্টে কোম্পানি বা আমাদের প্রতিনিধি পিক-আপ ব্যবস্থা করবে।
- কোম্পানি বা আমাদের প্রতিনিধি হতে বাসস্থান, ব্যাংক একাউন্ট খোলা, স্বাস্থ্য বীমা, সিটি অফিসের কাজের সহযোগিতা করবে।
- ৭ দিনের মধ্যেই কোম্পানি কর্মস্থল পরিদর্শন করিয়ে কাজের ড্রেস ও নিয়ম কানুন সম্পর্কে অবগত করবে।
কত টাকা খরচ হবে এই ভিসা ক্যাটেগরির জন্যঃ
আমরা মুলত ৪ ভাগে পেমেন্ট নিয়ে থাকি।
- প্রথমে ডকুমেন্ট জমা নেয়ার সাথে দিতে হবে যা এগ্রিমেন্টে উল্লেখ করে দেয়া হবে।
- কোম্পানি সিলেকশন কনফার্ম হলে/ ডিম্যান্ড লেটার ইস্যু হলে
- প্রি-ভিসা/সিওই/ রেসিডেন্ট ওয়ার্ক পারমিট ইস্যু হলে
- ভিসা হলে ৭ দিনের ভিতর বাকি অর্থ দিতে হবে।
সর্বমোট কত খরচ হবে সেটা সম্পূর্ণ নির্ভর করবে আপনার জাপানিজ ভাষার লেভেল ও কি ধরনের কোম্পানিতে কাজ করতে ইচ্ছুক বা কেমন স্যালারির কোম্পানিতে যেতে ইচ্ছুক তার উপরে নির্ভর করবে।
যদি কোন কারণে জাপান এমব্যাসি কর্তৃপক্ষ ভিসা প্রদান না করে তাহলে ৫০ হাজার টাকা খরচ বাবদ আমরা টোটাল প্রদানকৃত টাকা থেকে কর্তন করবো, বাকি সম্পূর্ণ টাকা আমরা এগ্রিমেন্ট অনুসারে ফেরত দিতে বদ্ধপরিকর। তবে এপ্লিকেন্ট চাইলে ২য়বার একই ক্যাটেগরিতে আবেদন করার সুযোগ দিয়ে থাকি।
আমরা কাউকেই এয়ার টিকেট প্রদান করিনা, এটি আমাদের সার্ভিসের অন্তর্ভুক্ত নয়। কিছু সময় অনেক কোম্পানি প্রার্থীকে টিকেট প্রদান করে থাকে।
কেন জাপানে এই ক্যাটেগরির জব ভিসায় যাবেন?
- পৃথিবীর অন্যান্য দেশের তুলনায় জাপানের এই জব ভিসা ক্যাটেগরিগুলোতে ৮০-৯০% ভিসা ইস্যু হয়ে থাকে।
- ৫-৭ বছরের মধ্যে পার্মানেন্ট রেসিডেন্সি পাওয়ার সুযোগ।
- কোন কারণে জব না থাকলে বা চাকুরিচ্যুত হলে সরকার বা ইনস্যুরেন্স কোম্পানি স্যালারির সম পরিমাণ অর্থ প্রদান করে।
- ৫-১৮ বছর বয়স পর্যন্ত ছেলে মেয়েদের পড়াশোনার খরচ অনেকাংশে সরকার বহন করে এবং ২/৩ সন্তান হলে প্রণোদনা দিয়ে থাকে।
- জাপান থেকে সহজেই একজন বাংলাদেশী যেকোনো দেশে ভিজিট করতে পারে।
- জাপানে অবস্থানরত সকল বাংলাদেশী ও জাপানিজ নাগরিকদের জন্য সকল আইন ও সুযোগ সুবিধা সমান।
- সঠিকভাবে ইনকাম ট্যাক্স, ইনস্যুরেন্স প্রদান করলে স্বপরিবারে পৃথিবীর ১ নং শক্তিশালি পাসপোর্ট যায়।
- ৬০ বছর পরে সকল বাংলাদেশী ও জাপানিজ নাগরিকরা প্রতিমাসে মোটা অংকের ওয়েলফেয়ার সুবিধা পায়।
- জাপান সরকারের শ্রমমন্ত্রণালয়ের নিয়ম অনুসারে কোম্পানির একজন নতুন কর্মী প্রতি মাসে প্রায় ২ থেকে ২.৫ লক্ষ টাকা বেতন পাওয়ার সুযোগ।
- প্রতিটি কোম্পানি থেকে ওভারটাইম, বোনাস, স্বাস্থ্য ভাতা, যাতায়াত ভাড়া, বাসস্থানের ব্যবস্থা দিয়ে থাকে।
- ৩/৪ মাস পরেই আপনার বিবাহিত স্ত্রী ও সন্তানদেরকে ডিপেন্ডেন্ট ভিসা ক্যাটেগরিতে জাপানে নিতে পারবেন।
সেজন্য ভিসা প্রসেসিং এর জন্য কোন টাকা খরচ করতে হবেনা। আপনার স্ত্রী সেখানে জাপান সরকারের নিয়ম অনুসারে প্রতিমাসে প্রায় ১২০ ঘণ্টা কাজ করে ১.৫ লক্ষ টাকা ইনকাম করতে পারবেন। আর যদি আপনার স্ত্রীর গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট করা থাকে তাহলে উনিও আপনার সমপরিমাণ বেতনের পার্মানেন্ট জব করতে পারবেন।
এই জব ক্যাটেগরির জন্য আবেদন করার জন্য কি কি ডকুমেন্ট প্রয়োজন?
- আপনার সকল একাডেমিক মূল সনদপত্র ও মার্কশিট
- পূর্বের কাজের অভিজ্ঞতার সার্টিফিকেট ( যদি থাকে )
- সফট কপি ছবি -১ কপি কালার (৩৫/৪৫ মি.মি)।
- জাপানিজ ল্যাংগুয়েজ সার্টিফিকেট (যদি থাকে)
- ওরিজিনাল পাসপোর্ট ( মেয়াদ কমপক্ষে ৬ মাস থাকতে হবে)
আরও বিস্তারিত জানতে ফর্মটি পূরণ করতে পারেন এই লিঙ্কেঃ https://forms.gle/heoAgWgocYH8AMY36
ইন্টারন্যাশনাল জব ভিসা সম্পর্কে কমন প্রশ্ন সমুহঃ
১. ডিপ্লোমা পাশ করে এই ভিসা ক্যাটেগরিতে যাওয়া যাবে কিনা?
না যাওয়া যাবেনা, আপনি ডিপ্লোমার যেকোনো বিষয়ে পাশ করে থাকলে আপনার জন্য সবচেয়ে SSW স্কিল ওয়ার্কার জব ভিসায় যাওয়াই উত্তম। খরচও কম ও স্যালারি ও সুযোগ সুবিধাও ভালো। মাত্র ৪ মাস কোর্স করে N4 পরীক্ষায় পাশ করে আবেদন করা যায়।
২. বিএ বা পাস কোর্স ৩ বছরের কমপ্লিট করেছি আমি কি যেতে পারবো?
জি যেতে পারবেন।
৩. আমি সদ্য গ্রাজুয়েশন/ডিগ্রি শেষ করেছি আমার কোন কাজের অভিজ্ঞতা নেই আমি কি যেতে পারবো?
জি যেতে পারবেন। অভিজ্ঞতা থাকলে ভালো না থাকলেও সমস্যা নাই। আমাদের দেশের কাজের সাথে তাদের দেশের কাজের কোন মিল নাই, জাপানিজ কোম্পানি আপনাকে প্রথম ৩ মাস মনে প্রানে কাজ শিখাবে তাই পূর্বের অভিজ্ঞতা না থাকলেও হবে।
৪. এমব্যাসিতে কোন ভাইভার সম্মুখীন হতে হবে কিনা?
৩ ই নভেম্বর ২০২৪ সাল থেকে জাপান এমব্যাসি কোন প্রকার ইন্টার্ভিউ ছাড়াই VFS এর মাধ্যমে শুধু প্রদানকৃত ডকুমেন্টের উপর ভিত্তি করে ভিসা ইস্যু করছে।
এমনকি জাপানে যাওয়ার জন্য কোন প্রকার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স, মেডিকেল চেকাপ ও এম্বাসির ভিসা ফিস ও এপয়নমেন্ট ফি’র প্রয়োজন পরেনা। আপনি চাইলে VFS গুলশান-২ ডকুমেন্ট সাবমিট করে আসলে আপনার ভিসাসহ পাসপোর্ট হোম ডেলিভারি নিতে পারবেন।
৫. এই ভিসা ক্যাটেগরিতে কত বছরের ভিসা দিয়ে থাকে এবং সেখানে ভিসা রিনিউ করা যাবে কিনা?
এই ভিসা ক্যাটেগরিতে ৯৫% এপ্লিকেন্টকে প্রথমে বাংলাদেশ থেকে ১ বছরের ভিসা দিয়ে থাকে। অনেক সময় ৩ থেকে ৫ বছরের ভিসা পাওয়া যায়। ১ বছর পেলেও আফসোস করার কিছুই নাই, কারণ জাপানে যাওয়ার পর কোম্পানি সঠিক থাকলে রিনিউ করতে করতে কোন টাকা লাগেনা। ১ বছর শেষ হলে ১-৫ বছর পর্যন্ত এভাবেই ভিসা পেতে থাকবেন। কোম্পানি ও সরকারের আইন ভঙ্গ না করলে সারাজীবন ভিসা জটিলতা ছাড়াই পুরো পরিবার ভিসা রিনিউ করতে পারবেন।
৬. জাপানের কোম্পানিগুলো কি থাকা খাওয়ার খরচ দিয়ে থাকে?
জাপানের কোন কোম্পানি খাওয়ার খরচ দেয় না, কিন্তু বাসস্থানের ব্যবস্থা দিয়ে থাকে। সেটা জাপানে গমন করার আগে থেকে রেডি করে রাখতে পারে আবার ৩ মাস পরেও পেতে পারেন। নির্ভর করে কোম্পানি টু কোম্পানি। অনেক সময় কোম্পানি মোট ভাড়ার ৬০% বহন করে। তবে ৯০ ভাগ কোম্পানি ডরমিটরি সুবিধা দিয়ে থাকেন।
৭. আপনাদের সাকসেস রেশিও কেমন?
আমরা গত ১০ বছরে প্রায় হাজারের মত শিক্ষার্থী, দক্ষ কর্মী, ইন্টার্নশীপ, ও ইঞ্জিনিয়ার জাপানের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে প্রেরণ করেছি।
তার কিছু অংশ আমাদের ইউটিউব চ্যানেলেও দেখতে পাবেন.. https://www.youtube.com/@REIWA_JAPAN_2016/videos
৮. এই ভিসা ক্যাটেগরিতে ভিসা রেশিও কেমন?
এখন পর্যন্ত এই ভিসা ক্যাটেগরিতে ৮০-৯০% ভিসা সাকসেস রেশিও। এই বছর এখন পর্যন্ত আমরা শতভাগ সফলতা অর্জন করেছি।
৯. এই ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় কি মেয়েরা যেতে পারে? মেয়েদের নিরাপত্তা কেমন?
জি অবশ্যই যেতে পারবে। আমরা অনেক মেয়ে কর্মী প্রেরণ করেছি জাপানের বিভিন্ন কোম্পানিগুলোতে। তারা একনিষ্ঠ ও সৎ হওয়ায় উচ্চ বেতনের কোম্পানিগুলো তাদের নিয়োগের ক্ষেত্রে মুখিয়ে থাকে। অন্যদিকে জাপান সরকার কর্তৃক মেয়েদের বিষয়ে আইন কঠোর ও জরিমানার পরিমাণও অধিক বিধায় বাংলাদেশী মেয়েরা কর্মস্থলে ও বাহিরে ১০০% নিরাপত্তা পেয়ে থাকে।
১০. পূর্বে জাপানে অন্যকোনো ক্যাটেগরিতে বা একই ক্যাটাগরিতে ভিসা রিজেক্ট হয়ে থাকলে তাহলে কি আবার আবেদন করা যাবে কিনা?
জি আবেদন করতে পারবেন। আপনি যদি পূর্বে স্টুডেন্ট/ জব ভিসায় আবেদন করে থাকেন প্রি ভিসা/ এমব্যাসি রিজেক্ট হয়ে থাকেন আপনি আবার জব ভিসা ক্যাটেগরিতে আবেদন করতে পারবেন। তবে পূর্বের আবেদনের সকল তথ্য এপ্লিকেশনের সময় দাখিল করতে হয়। পূর্বের তথ্য মিল না রেখে আবেদন করলে অনেক সময় প্রি ভিসা ইস্যু নাও হতে পারে।
১১. অনেক এজেন্সি অনেকভাবে মানুষকে প্রতারিত করে থাকে, আপনারা যে করবেন না তার গ্যারান্টি কি?
আমরা বাংলাদেশে অবস্থিত জাপান এমব্যাসি থেকে এনলিস্টমেন্ট একটা জাপানিজ ল্যাঙ্গুয়েজ সেন্টার এবং ASSOCIATION OF JAPANESE LANGUAGE INSTITUTE IN BANGLADESH (AJLIB) এর মেম্বার। লিংকে দেখুনঃ https://ajlibbd.com/member/details/20
আমাদের প্রতিষ্ঠান জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (BMET) থেকে ভেরিফিকেশন করা এমনকি সরকারের তদন্ত সংস্থা থেকে তদারকি করা হয়। কোন প্রকার প্রতারণা করলে সরকারের পক্ষ থেকে বিশাল অংকের জরিমানা ও লাইসেন্স বাতিল বলে গন্য হবে। আমাদের কাছ থেকে যেকোনো সার্ভিস নিলে আমরা এগ্রিমেন্টে সকল কিছু পুংখানুভাবে উল্লেখ করে কাজ শুরু করে থাকি। কথা ও কাজের অমিল হলে আমাদের বিরুদ্ধে নিয়মানুসারে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে পারবেন।
১২. আপনারা কি A to Z প্যাকেজে কাজ করেন বা ভিসার পর সকল পেমেন্ট করতে চাই এমন কোন পেমেন্ট সিস্টেম আপনাদের আছে কি?
জাপানের ভিসা প্রসেসিং পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মত না, এই জব ভিসা ক্যাটেগরিতে প্রতিটি ধাপে পেমেন্ট করতে হয় তাই আমরা কোন AtoZ প্যাকেজ বা ভিসার পর সকল পেমেন্ট এমন প্রক্রিয়ায় কাজ করিনা।
১৩. অনেকেই প্রশ্ন করে থাকেন আপনাদের কাছে এখন কোন কোন কোম্পানি আছে? ভাইভাতে ১ মাসের মধ্যে ভাইভাতে বসাতে পারবেন কি?
আমরা আপনাকে গ্যারান্টি দিয়ে ১ মাসের মধ্যে ভাইভাতে বসাতে পারবোনা। আমরা এগ্রিমেন্ট অনুসারে আপনার কাছ থেকে সময় নিয়ে থাকি। সেই সময়ের মধ্যে আপনাকে জাপানে পাঠাতে পারলে আমাদের রিজিকের ফায়দা হয়।
কোম্পানি সিলেকশন হওয়া আসলে আপনার উপরই নির্ভর করবে। আমরা প্রতিমাসে ৫/১০ টা ইন্টার্ভিউ নিয়ে থাকি কোন না কোন কোম্পানির। আপনি যদি প্রথম কোম্পানির ভাইভায় উত্তীর্ণ না হয়ে থাকেন তাহলে আবার অন্য কোম্পানি খুঁজতে সময় যায়। আবার তাদের সময় অনুসারে ভাইভার জন্য অপেক্ষা করতে হয়। সেক্ষেত্রে উত্তম হয় যদি আপনি আমাদের সাথে নিয়মানুসারে নিজেকে প্রস্তুত করেন।
আমাদের জাপানের অফিস থেকে সরাসরি জাপানিজরা অনলাইনে টানা ১৫ দিন ভাইভা প্রাকটিস করিয়ে প্রতি ২ সপ্তাহে কয়েকটা কোম্পানিতে ভাইভা নেয়া হয়। একজনের জাপানিজ ব্যসিক জানা থাকলে মাত্র ২ মাসেই এপ্লিকেন্টকে কোম্পানি সিলেকশন করাতে সক্ষম হই।
আমরা চাই যে, আপনাকে দ্রুত কোম্পানি সিলেকশন করে জাপানে পাঠাতে পারলেই আমরা ২ টাকার মুখ দেখতে পারি কিন্তু সেই সাথে আপনার সদিচ্ছা ও দৃঢ় মন মানসিকতা থাকতে হবে। অনেকেই ফাইল আর টাকা দিয়ে উধাও হয়ে যায় ৩ মাস পর এসে বলে স্যার আপনারা আমার জন্য কিছুই করতে পারলেন না। যেহেতু আমাদের মাধ্যমে ধারাবাহিকভাবে সকলেই যাচ্ছে আপনিও যেতে পারবেন ইনশাআল্লাহ, সেজন্য সময় দিবেন ও ধৈর্য নিয়ে জাপানিজটা প্রাকটিস করে যাবেন এটাই আমাদের চাওয়া আপনার কাছ থেকে।
১৪. এই ভিসা ক্যাটেগরিতে যেতে চাইলে পূর্বে কোন কাজের অভিজ্ঞতা বা কোন কাজের ট্রেনিং করা লাগবে কিনা?
দক্ষ মানুষের চাহিদা সব কোম্পানিতেই প্রয়োজন থাকে, তবে পূর্বের কাজের অভিজ্ঞতার না থাকলেও সমস্যা নেই বা বিশেষ কোন সেক্টরের ট্রেনিং ও করা লাগবেনা। জাপানিজরা নতুনদের প্রায় ৩-৬ মাস পর্যন্ত কাজ শিখিয়ে দিয়ে থাকে।
১৫. আমি তো ঢাকার বাহিরে থাকি আমি কি অনলাইনে আপনাদের কাছ থেকে ভাষা শিখে এই ভিসা ক্যাটেগরিতে আবেদন করতে পারবো কিনা?
অবশ্যই পারবেন, আমরা অনলাইনে ভাষার কোর্স করে থাকি, আপনি চাইলে ২ মাসের অনলাইন কোর্স সম্পন্ন করে আবেদন করতে পারেন। স্পিকিং লেভেল ভালো হলে আমরাই আপনাকে কোম্পানিতে ভাইভা দেয়ার জন্য সাজেস্ট করবো।
১৬. জাপানে একজন চাকুরিজীবীর প্রতিমাসে সকল খরচ বাবদ কত টাকা খরচ হতে পারে? আর প্রাথমিক অবস্থায় কত টাকা প্রতিমাসে দেশে পাঠানো সম্ভব?
ইনকাম ট্যাক্স, সোশ্যাল ইন্সুরেঞ্জ, জীবন বীমা, স্বাস্থ্য বীমা, এলাকা ভিত্তিক ট্যাক্স, যাতায়াত খরচ, শেয়ারিং রুম ভাড়া, ইউটিলিটি বিল ও খাওয়া খরচ সহ সর্বমোট প্রায় ৬০-৭০ হাজার বাংলা টাকার মত খরচ হয়ে থাকে। বাকি ১ লাখ ২০/৩০ হাজার টাকা বৈধভাবে টাকা রেমিট্যান্স পাঠানো যায়।
১৭. এই ভিসা ক্যাটেগরিতে যাওয়ার জন্য কত মাসের কোর্স করতে হবে?
মাত্র ২ মাসের অফলাইন বা অনলাইন কোর্স শেষ করেই বা কোর্স চলাকালীন আবেদন করতে পারবেন।
১৮. অনেকেই বলে থাকেন আপনাদের ভিসার রেট হাই, অন্যান্য এজেন্সিরা অনেক কম নিয়ে থাকে!
জিনিস যেটা ভালো, দাম তার একটু বেশি’, ঢেউটিন নিয়ে দেশের জনপ্রিয় একটি বিজ্ঞাপনের অংশ এটি।
হ্যাঁ আপনি কম টাকায় যেতে পারবেন কারো না কারো মাধ্যমে। কিন্তু আপনার লাইফ রিস্কে পরার সম্ভাবনাই বেশি। দেশের বেশিরভাগ এজেন্সি ভিসা করে দিবে কিন্তু জাপানে গিয়ে কাজের নিশ্চয়তা দিবেনা। জাপান গিয়ে যখন দেখবেন ভিসা আছে কিন্তু কোম্পানি নাই তখন আর কাউকেই দায় দিতে পারবেন না। আবার ১ বছর পর যখন ভিসা রিনিউয়্যাল করতে যাবেন তখন বুঝবেন বিড়ম্বনা কাকে বলে ও কত প্রকার। আবার যদি সেই সকল জাপানের এজেন্ট ভিসা রিনিউ করতে অন্য কোম্পানি থেকে ভিসা সাপোর্ট দেয়ার নাম করে অতিরিক্ত মোটা অংকের টাকা দাবি করে তাহলে তখন সেই মুহূর্তে ভেবে নিবেন প্রথমেই দক্ষ এজেন্সি নির্বাচন করতেই ভুল করেছেন যার কারণে সস্তার বারো অবস্থা।
এ সম্পর্কে আপনার মনে প্রশ্ন আসতেই পারে আপনাদেরকে তাহলে বিশ্বাস করবোই বা কিভাবে। আপনার যদি এই বিষয়গুলোতে তদারকি করতে প্রয়োজন হয় তাহলে আমাদের অফিসে আসুন আমরা যাদের এই ক্যাটেগরিতে পাঠিয়েছি তাদের সাথে সরাসরি কথা বলার সুযোগ করে দিবো। তারা আমাদের থেকে কেমন সাপোর্ট পেয়েছে বা পাচ্ছে।
আর এ বিষয়ে আমাদের কোম্পানি খুবই দক্ষতার সহিত সরাসরি জাপানিজ কোম্পানির সাথে কাজ করে থাকে বিধায় উপরোক্ত ঝামেলা গুলো আমাদের এপ্লিকেন্টকে পোহাতে হয়না।
আমরা জাপানের বেশিরভাগ কোম্পানি জাপান সরকার কর্তৃক স্বীকৃত জব এজেন্টের মাধ্যমে কাজের ডিম্যান্ড পেয়ে থাকি, জব এজেন্টগুলোর পেমেন্ট ডিম্যান্ড হাই থাকে ফলে তখন আমাদের খরচের পরিমাণও বেড়ে যায়, বিধায় ভিসার রেট হাই হয়ে যায়।
এমনকি আমাদের দেশের এপ্লিকেন্টদের ভাষার সার্টিফিকেট ও কথা বলার দক্ষতা কম থাকার কারনেও মধ্যস্ততাকারীরাই অতিরিক্ত মুনাফা নিয়ে থাকে।
আমরাও চাই এই ক্যাটেগরিতে প্রতি বছর ২ হাজার লোক কম টাকায় জাপান পাঠাতে চাই কিন্তু সেই সুযোগ আমরা পাইনা। কম খরচে বেশি লোকজন গেলে প্রফিট মার্জিন আমাদের অনুকুলে চলে আসে এবং দেশের বৈদেশিক রেমিট্যান্সও বেশি অর্জনের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে কিছুটা হলেও ভুমিকা রাখতে সক্ষম হই।
অন্যদিকে নেপাল, ভিয়েতনাম, শ্রীলংকা ও মায়ানমারের এপ্লিকেন্টদের ভাষার সার্টিফিকেট ও কথা বলার দক্ষতা আমাদের থেকে অনেক ভালো বিধায় জাপানিজ কোম্পানিগুলো তাদেরকে আগে পছন্দ করে এবং তাদের দেশ থেকে শতভাগ ভিসা রেশিও থাকে বিধায় জব এজেন্ট বা কোম্পানিগুলো তাদের দিকে ধাবিত। এক প্রকার আমরা জোরপূর্বক টাকা বাড়িয়ে দিয়ে জব ডিম্যান্ড গুলো নিয়ে থাকি বিধায় খরচ আমাদের বেশি হয়ে যায়।
১৯. আপনাদের কোম্পানি কতদিন থেকে জাপান নিয়ে কাজ করতেছে?
উত্তরঃ আমাদের কোম্পানি দীর্ঘ ১০ বৎসর থেকে শুধুমাত্র জাপান নিয়ে কাজ করছি এবং সারা বাংলাদেশে সর্বোচ্চ জব ভিসায় সফলতা অর্জনকারী প্রতিষ্ঠান।
২০. দক্ষ, সঠিক ও বিশ্বততা সম্পন্ন এজেন্সি কিভাবে খুজে পাবো?
শুনুন, বাংলাদেশে ভুঁইফোড় এজেন্সির অভাব নাই। এমনও আছে সেই এজেন্সির মালিক জীবনেও জাপানে যায় নাই, জাপানের ইমিগ্রেশন পলিসি সম্পর্কে বিন্দুমাত্র যার অভিজ্ঞতা নাই সেও চটকদার বিজ্ঞাপন দিয়ে জাপানে লোক পাঠাবে বলে অফিস খুলে বসে আছে। জাপানে একজন কর্মী সমস্যায় পরলে ভালো জাপানিজ ভাষা না জানার কারণে তৎক্ষণাৎ নিজে কোন সাহায্য করতে পারবেনা। আমাদের কোম্পানির মালিক নিজেই দীর্ঘদিন জাপানে ছিলেন, ভালো জাপানিজও বলতে পারেন এবং জাপানের বাস্তব কাজের পরিবেশ ও ভিসা সম্পর্কিত নতুন নতুন নিয়মকানুন সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখেন তাই আমরা মনে করি আপনি আগে আমাদের সম্পর্কে ভালভাবে জানুন এবং সরাসরি অফিসে এসে আমাদের সাথে কথা বলুন, আমাদের মাধ্যমে যে যেতে হবে বিষয়টা এমন না আপনি আমাদের সাথে কথা বললে অন্তত জাপানের বাস্তব জীবনের প্রকৃত বিষয়গুলো জানতে পারবেন, তারপর তখন আপনার সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সুবিধা হবে, আমাদের মাধ্যমে যাবেন নাকি যাবেন না। রিজিক আল্লাহ্ তা-আলার পক্ষ থেকে আসে, আমরা আপনাকে সঠিক তথ্যটাই বলব আর সঠিক তথ্য দিয়ে যদি আপনার কোন বিন্দুমাত্র উপকার করতে পারি এটাই আমাদের সার্থকতা ও শ্রেষ্ঠ পাওয়া।
২১. আপনাদের জাপানিজ ক্লাসের শিডিউল ও খরচ জানতে পারি কি? চাকুরীজীবীদের ব্যবস্থা আছে কিনা?
প্রতি মাসের ১ ও ১৬ তারিখ আমাদের নতুন ব্যাচ শুরু হয়ে থাকে।
সপ্তাহে ৩ দিন ক্লাস ৩ ঘণ্টা করে। সকাল ৯ টা থেকে রাত ৭ টা পর্যন্ত অফলাইন ক্লাস হয়। রাত ৮ টায় শুধু অনলাইন ক্লাস হয়ে থাকে। চাকুরীজীবীরা শুক্র ও শনিবার অফলাইন ক্লাস করার সুযোগ রয়েছে। অফলাইন কোর্স ফিঃ ১৮,৫০০ টাকা, অনলাইন কোর্স ফিঃ ১৫,৫০০ টাকা।
যা একবারেই পরিশোধ করতে হবে। কোন ধাপে ধাপে দেয়ার নিয়ম নাই।
২২. জাপানে পার্মানেন্ট রেসিডেন্ট কি এই ভিসা ক্যাটেগরি থেকে পাওয়া যাবে?
উত্তরঃ যদি আপনি সঠিকভাবে ইনকাম ট্যাক্স, স্বাস্থ্য বীমা, পেনশন বীমা, এরিয়া ট্যাক্স প্রদান করেন, মারাত্মক কোন এক্সিডেন্টাল কেস না থাকে, মেয়ে সংঘটিত মামলা বা মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত না থাকেন তাহলে পার্মানেন্ট রেসিডেন্ট এর জন্য ৩ বছর কর্মজীবন পরেই আবেদন করতে পারেন।
২৩. আপনারা কি অরিজিনাল ডকুমেন্ট জমা দেওয়া ছাড়া কাজ করে থাকেন?
জি আমরা অরিজিনাল বা মূল ডকুমেন্ট জমা নেয়া ছাড়া কাজ করিনা। অনেকেই বলতে পারেন স্ক্যান ফাইল দিয়ে কাজ করা যায়। হ্যাঁ আমরাও একমত কাজ করা যায়। কিন্তু অনেক সময় অনেকেই জাল ডকুমেন্ট দিয়ে কাজ করতে চায়, সেটা স্ক্যান ফাইলে বুঝার কোন উপায় থাকেনা এমনকি জাপানের কোম্পানিগুলো সরাসরি অফিসে গমন করলে অরিজিনাল ডকুমেন্ট দেখতে চায় বিধায় সকল মূল ডকুমেন্ট জমা নেয়া হয়।
২৪. আপনারা কি এই ভিসা গ্যারান্টি সহকারে দিয়ে থাকেন?
না আমরা কোন ক্যাটেগরির জন্য গ্যারান্টি দেইনা। ভিসা দেয়া না দেয়া সম্পূর্ণ জাপান এমব্যাসির। তবে আমরা এভারেজ ভিসা রেশিও সম্পর্কে অবগত করতে পারবো। আমরা দীর্ঘ ১০ বছর অভিজ্ঞতা অর্জনের ফলে জাপান ইমিগ্রেশন ও জাপান এমব্যাসি থেকে ভিসা না পাওয়ার বেশিরভাগ কারণগুলো বুঝে আবেদন করে থাকি বিধায় ভিসা সাকসেস রেশিও আমাদের অন্যদের তুলনায় আমাদের বেশি।
২৫. অনেকেই জিজ্ঞেস করেন আমি কি রিলেটেড ফিল্ডে চাকুরি পাবো?
ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানিতে শুধু ইঞ্জিনিয়ার দ্বারাই পরিচালিত হয়না, একটা কোম্পানিতে সকল ব্যাকগ্রাউন্টের লোকের প্রয়োজন হয়।
অন্যদিকে আপনি বাংলাদেশে যে বিষয়ে পড়াশোনা বা যে সেক্টরে কাজের অভিজ্ঞতা থাকনা কেন আপনি জাপানের ডিগ্রি/ গ্রাজুয়েশন থাকলে জাপানের যেকোনো সেক্টরে যেকোনো কাজে আপনি নিয়োজিত হতে পারবেন। তবে আমরা কোম্পানি সিলেকশনের আগে অবশ্যই আপনার রিলেটেড ফিল্ডকে আগে প্রাধান্য দিয়ে থাকি।
যদি আপনি রিলেটেড ফিল্ড নাও পেয়ে থাকেন জাপানে এই ভিসা ক্যাটেগরিতে যাওয়ার পর যেকোনো সময় আপনি আপনাদের পছন্দের সেক্টরে কাজ খুঁজে নিয়ে কোম্পানি পরিবর্তন ও ভিসা রিনিউ করতে পারবেন।
অনেকসময় দেখা যায়, রিলেটেড ফিল্ডের কোম্পানি পাওয়া সময়ের ব্যাপার হয়ে দাড়ায় এমনকি আপনার রিলেটেড ফিল্ডের চেয়ে অন্যান্য ফিল্ডে স্যালারি ও সুযোগ সুবিধা বেশি থাকে তখন আপনার ইচ্ছার উপর নির্ভর করে আপনি কোন ফিল্ডে কাজ করবেন।
২৬. জাপানের কোম্পানিগুলো কি থাকা খাওয়ার খরচ দিয়ে থাকে?
জাপানের কোন কোম্পানি খাওয়ার খরচ দেয় না, কিন্তু বাসস্থানের ব্যবস্থা দিয়ে থাকে। সেটা জাপানে গমন করার আগে থেকে রেডি করে রাখতে পারে আবার ৩ মাস পরেও পেতে পারেন। নির্ভর করে কোম্পানি টু কোম্পানি। অনেক সময় কোম্পানি মোট ভাড়ার ৬০% বহন করে। তবে ৯০ ভাগ কোম্পানি ডরমিটরি সুবিধা দিয়ে থাকেন।
২৭. জাপানে আপনাদের কোন অফিসে আছে কিনা জাপানিজ কোন অফিস স্টাফ রয়েছে কিনা?
জি জাপানে আমাদের টোকিও এবং ওসাকাতে অফিস রয়েছে। যেখানে ৫ জন জাপানিজ স্টাফসহ সর্বমোট ৮ জন হিউম্যান রিসোর্সের কাজে নিয়োজিত রয়েছেন। নতুন নতুন কোম্পানি খোঁজা ও আমাদের মাধ্যমে কর্মরত কর্মীদের দেখ ভাল করার জন্য সব সময় সহযোগিতা করে থাকেন।
অনেকেই এই ভিসা ক্যাটেগরিকে প্রফেশনাল জব ভিসা বা পার্মানেন্ট জব ভিসা বলে থাকে। এই ভিসা ক্যাটেগরিতে যাওয়ার জন্য আরও অনেক খুঁটিনাটি রয়েছে যা আবেদন করার পূর্বে সকলের জানা প্রয়োজন, আপনি ইচ্ছুক থাকলে আপনার সিভি-টি আমাদের ইমেইল করে রাখতে পারেনঃ 𝙖𝙥𝙥𝙡𝙮𝙛𝙤𝙧𝙟𝙖𝙥𝙖𝙣@𝙜𝙢𝙖𝙞𝙡.𝙘𝙤𝙢
অথবা আরও বিস্তারিত জানতে ফর্মটি পূরণ করতে পারেন এই লিঙ্কেঃ https://forms.gle/heoAgWgocYH8AMY36
কেউ লিখাটুকু শেয়ার/কপি করতে চাইলে কারটেসি দিতে ভুইলেন না।
সামান্য কিছু বিষয় তুলে ধরলাম অফিসে আসলে বিশদভাবে বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা যাবে। আপনার ক্যারিয়ারের সঠিক কাউন্সিলিং ও ফ্রিতে পরামর্শ নিতে আজই চলে আসুন আমাদের অফিসে।
Reiwa IT and Consultancy, ঠিকানাঃ প্লট:১১ (৫ম তলা), মেইন রোড:০৩, সেকশন: ০৭, পল্লবী, ঢাকা-১২১৬.(মিরপুর ১১ নং মেট্রোরেল স্টেশনের ২১০ নং পিলারের পশ্চিম পার্শ্বে IFIC ব্যাংকের ৫ম তলায়)। কল করুণ- +8801865141366, +8801939389616, +8809613821199
গুগল ম্যাপঃ https://goo.gl/maps/w8YzjZGKvp8Sgxrn6 , সপ্তাহে ৭ দিনই সকাল ৯ টা থেকে সন্ধ্যা ৭ টা পর্যন্ত অফিস খোলা থাকে।
আমাদের ফেসবুক পেজে ফলো করে রাখতে পারেনঃ https://www.facebook.com/reiwaitandconsultancy
আমাদের ইউটিউব ভিডিও গুলো পেতে সাবস্ক্রাইব করে রাখতে পারেন চ্যানেলটিঃ https://www.youtube.com/@REIWA_JAPAN_2016/videos
আমাদের ফেসবুক কমিনিউটিতে যোগ হতে ক্লিক করুনঃ https://www.facebook.com/groups/reiwaitandconsultancy
আমাদের ওয়েবসাইটঃ https://www.reiwabd.com/
















Design By Md Osama Bin Hamid
